রেজিস্ট্যান্স ক্যালকুলেটর
ভোল্টেজ, কারেন্ট ও পাওয়ারের মধ্যে যেকোনো দুটি উপযুক্ত মান দিয়ে রেজিস্ট্যান্স বা ওহম এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য বৈদ্যুতিক রাশি হিসাব করুন।
রেজিস্ট্যান্স কী?
রেজিস্ট্যান্স হলো কোনো বৈদ্যুতিক উপাদান বা পরিবাহকের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহের প্রতি বাধার পরিমাপ। এর SI একক ওহম (Ω)। NIST-এর SI guidance অনুযায়ী 1 Ω = 1 V/A।
সহজভাবে বললে, একই ভোল্টেজে রেজিস্ট্যান্স যত বেশি হবে, সাধারণ ohmic circuit-এ কারেন্ট তত কম হবে।
রেজিস্ট্যান্সের সূত্র
ভোল্টেজ ও কারেন্ট জানা থাকলে Ohm-এর সূত্র থেকে:
R = V ÷ I
পাওয়ার ও ভোল্টেজ জানা থাকলে:
R = V² ÷ P
পাওয়ার ও কারেন্ট জানা থাকলে:
R = P ÷ I²
ভোল্টেজ, কারেন্ট, রেজিস্ট্যান্স ও পাওয়ারের সম্পর্ক
রেজিস্ট্যান্স স্থির থাকলে ভোল্টেজ ও কারেন্টের সম্পর্ক
100 Ω একটি ideal ohmic resistance ধরে ভোল্টেজ ও কারেন্টের সম্পর্ক নিচে দেখানো হয়েছে। এখানে V = I × R, তাই রেখাটি সরল।
এটি একটি ideal ohmic load-এর illustrative graph। বাস্তব উপাদানের resistance তাপমাত্রা ও operating condition-এর সঙ্গে বদলাতে পারে।
রেজিস্ট্যান্সের একক
উদাহরণ
উদাহরণ ১: 220 V ভোল্টেজে 2 A কারেন্ট হলে:
R = V ÷ I = 220 ÷ 2 = 110 Ω
উদাহরণ ২: 100 W power এবং 220 V voltage হলে:
R = V² ÷ P = 220² ÷ 100 = 484 Ω
উদাহরণ ৩: 100 W power এবং 2 A current হলে:
R = P ÷ I² = 100 ÷ 2² = 25 Ω
রেজিস্ট্যান্স কী কী বিষয়ের ওপর নির্ভর করে?
একটি সমজাতীয় পরিবাহকের DC resistance-এর ক্ষেত্রে R = ρL/A সম্পর্কটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ρ হলো resistivity, L হলো দৈর্ঘ্য এবং A হলো cross-sectional area। তাই একই material ও temperature ধরে দৈর্ঘ্য বাড়লে resistance বাড়ে এবং cross-sectional area বাড়লে resistance কমে।
রেজিস্ট্যান্স ও ইম্পিড্যান্স কি একই?
না। Resistance হলো circuit-এর resistive অংশের বাধা। AC circuit-এ capacitor ও inductor-এর কারণে reactance-ও থাকতে পারে; resistance ও reactance মিলিয়ে complex impedance তৈরি হয়। তাই AC circuit-এর ক্ষেত্রে শুধু V ÷ I দিয়ে resistance নির্ণয় করা সবসময় সঠিক নয়।