ওহমের সূত্র ক্যালকুলেটর
ভোল্টেজ (V), কারেন্ট (I) ও রেজিস্ট্যান্স (R)-এর যেকোনো দুটি মান দিয়ে ওহমের সূত্র অনুযায়ী তৃতীয় রাশি হিসাব করুন।
ওহমের সূত্র কী?
ওহমের সূত্র বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ, কারেন্ট ও রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে সম্পর্ক দেখায়। কোনো ohmic উপাদানের নির্দিষ্ট অবস্থায় এই সম্পর্ককে V = I × R দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এখানে V হলো ভোল্টেজ, I হলো কারেন্ট এবং R হলো রেজিস্ট্যান্স।
এই সূত্রটি বিদ্যুতের মৌলিক হিসাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ভোল্টেজ ও রেজিস্ট্যান্স জানা থাকলে কারেন্ট বের করা যায়। আবার ভোল্টেজ ও কারেন্ট জানা থাকলে রেজিস্ট্যান্স বের করা যায়।
এই ক্যালকুলেটর কীভাবে কাজ করে?
ক্যালকুলেটরে ভোল্টেজ, কারেন্ট ও রেজিস্ট্যান্সের মধ্যে যেকোনো দুটি মান দিন। ক্যালকুলেটর আগে একককে মূল SI এককে রূপান্তর করে। তারপর ওহমের সূত্রের উপযুক্ত রূপ ব্যবহার করে তৃতীয় মান বের করে। তিনটি মান দিলে হিসেবটি মিলছে কি না সেটিও পরীক্ষা করা হয়।
উদাহরণ হিসেবে, ভোল্টেজ ২২০ V এবং রেজিস্ট্যান্স ১১০ Ω দিলে ক্যালকুলেটর I = V ÷ R ব্যবহার করে ২ A কারেন্ট বের করবে।
ভোল্টেজ, কারেন্ট ও রেজিস্ট্যান্স কী?
ভোল্টেজ (V) হলো দুই বিন্দুর বৈদ্যুতিক potential difference। এর একক volt।
কারেন্ট (I) হলো বৈদ্যুতিক চার্জ প্রবাহের হার। এর একক ampere।
রেজিস্ট্যান্স (R) হলো বৈদ্যুতিক কারেন্টের প্রবাহের প্রতি বাধার পরিমাপ। এর একক ohm। NIST-এর SI তথ্য অনুযায়ী, ১ Ω = ১ V/A।
তিনটি হিসাবের সহজ উদাহরণ
ভোল্টেজ বা রেজিস্ট্যান্স বদলালে কী হয়?
রেজিস্ট্যান্স স্থির থাকলে ভোল্টেজ বাড়লে কারেন্টও বাড়ে। যেমন, রেজিস্ট্যান্স ১০০ Ω হলে ১০ V-এ কারেন্ট ০.১ A। একই রেজিস্ট্যান্সে ভোল্টেজ ২০ V হলে কারেন্ট ০.২ A হবে।
অন্যদিকে ভোল্টেজ স্থির থাকলে রেজিস্ট্যান্স বাড়লে কারেন্ট কমে। তাই I = V ÷ R সূত্রে R বাড়লে I কমে।
একক ঠিক রাখা কেন জরুরি?
সূত্রে মান বসানোর আগে একক একই পদ্ধতিতে নেওয়া দরকার। এই ক্যালকুলেটরে mV, kV, mA, µA, kA, mΩ, kΩ ও MΩ-এর মতো এককও দেওয়া আছে। ক্যালকুলেটর এগুলোকে হিসাবের আগে মূল এককে রূপান্তর করে।
| রাশি | মূল একক | কিছু প্রচলিত একক |
|---|---|---|
| ভোল্টেজ | V | mV, kV |
| কারেন্ট | A | µA, mA, kA |
| রেজিস্ট্যান্স | Ω | mΩ, kΩ, MΩ |
হিসাব করার সময় কী খেয়াল করবেন?
ওহমের সূত্র সব ধরনের বৈদ্যুতিক উপাদানের আচরণ সবসময় পুরোপুরি বর্ণনা করে না। কিছু উপাদানের voltage-current সম্পর্ক non-linear হতে পারে। তাপমাত্রা বা operating condition বদলালেও সম্পর্ক বদলাতে পারে। তাই বাস্তব সার্কিটে উপাদানের বৈশিষ্ট্যও বিবেচনা করা দরকার।
এই ক্যালকুলেটর মৌলিক DC বা সরল ohmic হিসাবের জন্য উপযোগী। AC circuit-এ impedance, reactance, phase angle এবং frequency গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শুধু V, I ও R-এর সরল সম্পর্ক যথেষ্ট নাও হতে পারে।