জমির মাপ হিসাব
জমির আকৃতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মাপ লিখে ক্ষেত্রফল বের করুন। আয়তকার, বর্গাকার, ট্রাপিজিয়াম, বিভিন্ন ধরনের ত্রিভুজ, বৃত্ত, অর্ধবৃত্ত ও আরও কয়েকটি আকৃতির জন্য আলাদা হিসাবের পদ্ধতি আছে। ফলাফল শতাংশ, কাঠা, ছটাক, বিঘা, একর, বর্গফুট ও বর্গমিটারে দেখুন।
জমির আকৃতি অনুযায়ী ক্ষেত্রফল
একটি জমির ক্ষেত্রফল বের করার সঠিক সূত্র তার আকৃতির ওপর নির্ভর করে। নিচের ক্যালকুলেটরে আগে জমির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিলে এমন আকৃতি নির্বাচন করুন। প্রতিটি আকৃতির জন্য প্রয়োজনীয় মাপের চিত্র এবং সূত্রও দেখানো হবে।
বাংলাদেশের জমির এককে ফলাফল
ক্ষেত্রফল প্রথমে নির্বাচিত মাপের এককে নির্ণয় করে বর্গফুট ও বর্গমিটারে কনভার্ট করা হয়। এরপর বাংলাদেশে প্রচলিত জমির একক হিসেবে শতাংশ/শতক, কাঠা, ছটাক, বিঘা ও একরে ফলাফল দেখানো হয়।
মাপের একক সম্পর্কে
এই ক্যালকুলেটরের জমির এককগুলো বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত “বাংলাদেশ ভূমি পরিমাপের আদর্শ এককসমূহ” অনুসারে সাজানো। ১ শতাংশ/শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট এবং ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (প্রায়) ধরা হয়েছে। ১ বিঘা = ২০ কাঠা = ১৪,৪০০ বর্গফুট এবং ১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট।
অনিয়মিত জমির ক্ষেত্রে কী করবেন?
জমির সীমানা যদি একাধিক সরল আকৃতি নিয়ে গঠিত হয়, সেটিকে আয়তক্ষেত্র, ত্রিভুজ বা ট্রাপিজিয়ামের মতো কয়েকটি অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশের ক্ষেত্রফল আলাদাভাবে বের করে যোগ করা যায়। কিন্তু শুধু চার পাশের দৈর্ঘ্য জানা থাকলে একটি সাধারণ অনিয়মিত চতুর্ভুজের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফল সবসময় পাওয়া যায় না। তখন কর্ণ, কোণ, লম্ব মাপ বা পর্যাপ্ত survey data প্রয়োজন হতে পারে।
একটি সহজ উদাহরণ
ধরা যাক একটি আয়তকার জমির দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট এবং প্রস্থ ৪০ ফুট। ক্ষেত্রফল হবে ৬০ × ৪০ = ২,৪০০ বর্গফুট। একই ফলাফল ক্যালকুলেটরে প্রায় ৫.৫১ শতাংশ, ৩.৩৩ কাঠা এবং ০.১৭ বিঘা হিসেবে দেখা যাবে।