খ্রিষ্টাব্দ থেকে হিজরি কনভার্টার
একটি খ্রিষ্টাব্দের তারিখ দিন। হিজরি তারিখ পাওয়া যাবে। চাইলে হিজরি তারিখ থেকে খ্রিষ্টাব্দের তারিখও বের করা যাবে।
খ্রিষ্টাব্দ ও হিজরি তারিখ
খ্রিষ্টাব্দ ও হিজরি আলাদা ক্যালেন্ডার। খ্রিষ্টাব্দ সূর্যভিত্তিক। হিজরি ক্যালেন্ডার চন্দ্রভিত্তিক। তাই একই দিনের দুই ক্যালেন্ডারে তারিখ আলাদা হয়।
এই ক্যালকুলেটরে খ্রিষ্টাব্দের তারিখ থেকে হিজরি দিন, মাস ও বছর বের করা যায়। প্রয়োজনে হিজরি তারিখ থেকেও খ্রিষ্টাব্দের তারিখ জানা যায়। একই গাণিতিক নিয়মে দুই দিকের রূপান্তর করা হয়।
এই ক্যালকুলেটর কীভাবে কাজ করে?
আপনার দেওয়া তারিখ প্রথমে যাচাই করা হয়। এরপর সেটিকে একটি সাধারণ দিনসংখ্যায় রূপান্তর করা হয়। সেই দিনসংখ্যা থেকে প্রয়োজনীয় ক্যালেন্ডারের দিন, মাস ও বছর নির্ণয় করা হয়।
হিজরি মাসের দৈর্ঘ্য ২৯ বা ৩০ দিন ধরে হিসাব করা হয়। হিজরি বছরের নিয়ম অনুযায়ী অধিবর্ষও ধরা হয়। তাই একই তারিখে একই নিয়মে একই ফল পাওয়া যায়।
১২টি হিজরি মাস
হিজরি বছরে ১২টি মাস থাকে। ক্রমানুসারে মাসগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলো।
হিসাবের পদ্ধতি
এই ক্যালকুলেটরে নির্ধারিত বা ট্যাবুলার হিজরি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এটি স্থানীয় চাঁদ দেখা বা কোনো এলাকার সরকারি ও ধর্মীয় তারিখ নির্ধারণের পদ্ধতি নয়।
স্থানীয় চাঁদ দেখা বা ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ক্যালেন্ডারের সঙ্গে ফল প্রায় ১ দিন ভিন্ন হতে পারে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সরকারি কাজ বা গুরুত্বপূর্ণ নথির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তারিখ অনুসরণ করুন।
সহজ উদাহরণ
একটি খ্রিষ্টাব্দের তারিখ দিলে তার সমতুল্য হিজরি দিন, মাস ও বছর দেখানো হবে। আবার হিজরি দিন, মাস ও বছর দিলে তার সমতুল্য খ্রিষ্টাব্দের তারিখ পাওয়া যাবে।
রূপান্তরের দিক বদলাতে ক্যালকুলেটরের প্রথম ঘরের বিকল্পটি ব্যবহার করুন।
এই ক্যালকুলেটর কোথায় কাজে লাগে?
পুরোনো তারিখ বোঝা, নথির তারিখ মিলিয়ে দেখা, স্মরণীয় দিন যাচাই বা সাধারণ ক্যালেন্ডার তথ্য জানার কাজে এটি ব্যবহার করা যায়।
তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করা ধর্মীয় তারিখের ক্ষেত্রে এই ফলকে গাণিতিক হিসাব হিসেবে দেখুন।