লাভ-ক্ষতি ক্যালকুলেটর
পণ্যের ক্রয়মূল্য, বিক্রয়মূল্য, পরিমাণ এবং ব্যবসার অতিরিক্ত খরচ লিখে মোট খরচ, মোট বিক্রয়মূল্য ও লাভ বা ক্ষতি হিসাব করুন।
লাভ-ক্ষতি কীভাবে হিসাব হয়?
প্রথমে প্রতি পণ্যের ক্রয়মূল্যকে পণ্যের সংখ্যা দিয়ে গুণ করে মোট ক্রয়মূল্য বের করা হয়। এরপর পরিবহন, প্যাকেজিং, কমিশন বা অন্য যে সরাসরি অতিরিক্ত খরচ আপনি দিয়েছেন, তা যোগ করে মোট খরচ নির্ধারণ করা হয়।
সবশেষে মোট বিক্রয়মূল্য থেকে মোট খরচ বাদ দিলে লাভ বা ক্ষতি পাওয়া যায়। ফলাফল শূন্য হলে ব্যবসাটি এই সরল হিসাব অনুযায়ী লাভ-ক্ষতির সমান অবস্থায় থাকে।
লাভের হার ও Profit Margin
একই লাভের জন্য দুটি শতাংশ ব্যবহার করা যায়, কিন্তু দুটির ভিত্তি আলাদা। লাভের হার মোট খরচের তুলনায় লাভকে প্রকাশ করে, আর profit margin মোট বিক্রয়মূল্যের তুলনায় লাভকে প্রকাশ করে। ক্ষতির ক্ষেত্রেও একইভাবে loss rate ও loss margin দেখানো হয়।
Profit margin = লাভ ÷ মোট বিক্রয়মূল্য × ১০০
একটি সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, ১০০টি পণ্য প্রতিটি ৫০০ টাকায় কেনা এবং প্রতিটি ৬০০ টাকায় বিক্রি করা হলো। পরিবহন ও অন্যান্য সরাসরি খরচ ২,০০০ টাকা।
মোট ক্রয়মূল্য = ৫০০ × ১০০ = ৫০,০০০ টাকা। অতিরিক্ত খরচ যোগ করলে মোট খরচ = ৫২,০০০ টাকা। মোট বিক্রয়মূল্য = ৬০০ × ১০০ = ৬০,০০০ টাকা। তাই লাভ = ৬০,০০০ − ৫২,০০০ = ৮,০০০ টাকা। লাভের হার প্রায় ১৫.৩৮% এবং profit margin প্রায় ১৩.৩৩%।
কোন খরচগুলো বিবেচনায় রাখবেন?
আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য পরিবহন, প্যাকেজিং, বিক্রয় কমিশন বা অন্য সরাসরি খরচ অতিরিক্ত খরচের ঘরে যোগ করতে পারেন। তবে অফিস ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, utilities, marketing, ঋণের সুদ, depreciation বা অন্যান্য overhead এই calculator স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলাদা করে হিসাব করে না। প্রয়োজন হলে প্রাসঙ্গিক খরচের অংশটি অতিরিক্ত খরচে অন্তর্ভুক্ত করে একটি planning estimate নিতে পারেন।